ফটিকছড়িতে মাদ্রাসায় হামলায় জড়িত বাকী আসামীদেরও গ্রেপ্তার করা হোক-- মাও ইহইয়াহ
নুরুল কবির আরমান ::
ইসলামী আইন বাবস্তবায়ন কমিটির সেক্রেটারি ও নাজিরহাট বড় মাদ্রাসা নায়েবে মুহতামিম মাওলানা ইহইয়াহ এক বিবৃতিতে
ফটিকছড়ির পশ্চিম নানুপুর দারুসসালাম ঈদগাহ
মাদ্রাসায় হামলার ঘটনায় হেফাজতে ইসলাম ও ইসলামী আইন বাস্তাবায়ন কমিটির কর্তৃক দুস্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তার করে উচিৎ শাস্তির ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটামর মধ্যে হামলার গডফাদার কুখ্যাত হাসান ও তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করায় ফটিকছড়ি পুলিশ প্রশাসনকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়েছে।
সাথে আমরা এই বিষয়টিও স্পষ্ট করছি যে, প্রনাসন ও স্থানীয় এমপির আশ্বাসে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ তাওহিদী জনতাকে দমিয়ে রেখেছেন৷
এ গ্রেপ্তার যেন নাটকীয় ও দায়সারানো না হয়ে প্রকৃত ঘটনা উৎঘাটনে সহায়ক হয়৷ আসামী যেন থানায় ও কোর্টে জামাই আদর শেষে বীরের বেশে বের হতে না পারে সেদিকে প্রশাসনকে দৃষ্টি রাখতে হবে।
গ্রেপ্তারকৃত গডফাদার হাসান ও তার সহযোগীকে রিমান্ডে এনে হামলার পিছনে কোন অপশক্তর হাত রয়েছে তা জাতির সামনে পরিস্কার করতে হবে এবং হামলার সাথে জড়িত বাকী আসামীদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার কর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি নিশ্চিত করা৷
ইতি মধ্যে আমরা জানতে পেরেছি, কুখ্যাত হাসান বাহিনীর সাথে দমদমা আশ্রামের কিছু সন্ত্রাসীও ছিল৷
আমাদের নিকটও এও তত্ত্ব রয়েছে যে ঐ হামলায় এসপবিত্র কোরআন তাক থেকে ফেলে দিয়েছিল৷
কোরআন অবমাননার ঘটনাটি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাতে রুপ নেয়ার পূর্বে কে বা কারা এহেন কাজ করেছে নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক অনতিবিলম্বে দোষীদের খুজে বের করে তাদের উপযুক্ত শাস্তির নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির দপ্তর সম্পাদক মাওলানা মুফতি আবু মাকনূন মুহাম্মদ আজিজীর স্বাক্ষরিত সংবাদপত্রে প্রেরিত বার্তায় উপরোক্ত কথা বলেন।


No comments