পানছড়িতে বিধবা ও অসহায় সাত পরিবার ঘরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সু -দৃষ্টি কামনা করছেন
নিজস্ব প্রতিনিধি , খাগড়াছড়ি ::
খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার ৫নং উল্টাছড়ি ইউনিয়নের ১নং মোল্লাপাড়া ওয়ার্ডে
স্বামী পরিত্যাক্তা সালমা খাতুন (৬৩) বিধবা
মোছাঃ আমেনা খাতুন (৬৪) বিধবা মোছাঃ ভানু বিবি (৫৫) সালমা আক্তার (২৮)মোছাঃ নুরজাহান বেগম (৫৫)স্বামী পরিত্যাক্তা মোছাঃ ছালমা খাতুন (২৯) মোছাঃ শিউলী আক্তার শিলা (৪৫) বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তা এ সাত মহিলা কেও ভিক্ষা করে চলে কেও হোটেলে কাজ করে কেও দিনমজুরী করে আবার কেও মানুষের দান খরাত নিয়ে কোনভাবে বেচেঁ আছে।
ওই উপজেলায় অসহায় এ সাতটি পরিবার বেচেঁ থাকার জন্য পানছড়ি উপজেলা প্রশাসন, খাগড়াছড়ি জেলাপ্রশসন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রি বরাবর সরকারী ঘর পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
স্বরজমিন গুরে দেখা গেছে, এদের সবার ঘর গুলোই কুঁড়ে ঘর।ভাঙ্গা, জরাজির্ন ঘরে ছেলে, মেয়ে নাতি নাতনী নিয়ে বসবাস করেছে ওরা।কারো ঘরের একপাশে মানুষ, অন্য পাশে গবাদি পশু রাখতে হয়।আবার কেও একচালা দিয়ে জিবন যাপন করছে।দীর্ঘ দিন পূর্বে ঘর গুলো নির্মান করা হলেও বর্তমানে ঘর গুলো জরাজির্ণ ও নড়বড়ে হয়ে গেছে। অর্থের অভাবে নতুন করে নির্মান বা মেরামত করার মতো সার্মথ বর্তমানে তাদের নেই।
মোল্লাপাড়া (লবণব্যাপারী ঘাট) এর বাসিন্দা
মৃত মোঃ সোলাইমান মিয়ার স্ত্রী বিধবা মোছাঃ সর মলা খাতুন (৬৩) ভিক্ষা করে চলেন।
স্বামী পরিত্যাক্তা মোছাঃ শিউলী আক্তার শিলা (৪৫)খাবার হোটেলে কাজ করে বর্তমানে দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর জিবণ যাপন করছেন।
মৃত আমির উদ্দিন দেওয়ানের স্ত্রী মোছাঃ আমেনা খাতুন (৬৪) বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে। দুই নাতী-নাতনী নিয়ে ভাঙ্গা ঘরে মানবেতর জিবণ যাপন করছে।
মোল্লাপাড়া (বয়রাতলা) এর বাসিন্দা মৃত মোঃ আব্দুল করিমের স্ত্রী বিধবা মোছাঃ ভানু বিবি (৫৫) তিন সন্তান নিয়ে ভাঙ্গা ও কুঁড়ে ঘরে মানবেতর জিবণ যাপন করছে।(মধ্যমোল্লাপাড়া)স্বামী পরিত্যাক্তা মোঃ সামছুল হক এর মেয়ে সালমা আক্তার (২৮) দুই সন্তান নিয়ে পিতার ভিটায় একচালা দিয়ে মাথার উপরে চাল দিয়েছে।মোল্লাপাড়া (মোস্তাফার টিলা)র মৃত বাদশা মিয়ার স্ত্রী মোছাঃ নুরজাহান বেগম (৫৫) ১৫-১৬ বছর পূর্বে স্বামী হারিয়ে জরাজির্ন ঘরে বসবাস করছেন। মোল্লাপাড়া (মাদ্রাসা টিলা) এর স্বামী পরিত্যাক্তা মোঃ জানু মিয়ার মেয়ে মোছাঃ ছালমা খাতুন (২৯)
দুই সন্তান নিয়ে বাবার ভিটায় একচালায় বসবাস পাশেই থাকে গবাদি পশু।
বিধবা মোছাঃ সমলা খাতুন (৬৩), মোছাঃ আমেনা খাতুন (৬৪), মোছাঃ ভানু বিবি (৫৫), মোছাঃ নুরজাহান বেগম (৫৫) বলেন, স্বামী মারা যাওয়ার সময় তাদেরকে যে কুঁড়ের ঘর নির্মাণ করে দিয়েছিল সে ঘর এখন ভেঙ্গে পড়ছে।সামনের বর্ষায় তাদের কি অবস্থা হবে তা একমাত্র আল্লাহ জানেন। তারা শুনেছেন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসহায় গরীব, বিধবা, নিরিহ মানুষদের ঘর করে দিতেছে। তাই তাদের ইচ্ছা প্রনমন্ত্রী যদি তাদের একটি ঘর দিতো তবে শেষ বয়সে একটু আরাম করে থাকতে পারতো।
স্বামী পরিত্যাক্তা সালমা আক্তার (২৮), মোছাঃ ছালমা খাতুন (২৯)। তারা আরো বলেন, তাদের স্বামী তাদেরকে রেখে চলে গেছে। তারপরও দুঃখ-কষ্টে খেয়ে না খেয়ে সন্তানদেরকে বুকে আগলে বসবাস করছেন।
ওই এলাকার ইউপি সদস্য রিপন মিয়া জানান,ওরা অসহায় ওদের বিষয়ে সবাই অবগত আছেন।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম মোমিন বলেন , এই ৭জন অসহায়, দরিদ্র, বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তা মা ও বোনেরা, যাতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অনুদানকৃত ঘর পায় সেজন্য খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সম্মানীত সভাপতি, ভারত প্রত্যাগত শরনার্থী বিষয়াক ট্রার্সফোর্স এর চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য ও তাদের অভিবাবক বাবু কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরাসহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন তিনি।


No comments